রেমডেসিভিরের নমুনা জমা দিয়েছে এসকেএফ

প্রযুক্তি

দেশের ওষুধ উৎ​পাদনকারী অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান এসকেএফ জানিয়েছে, করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ প্রতিরোধে কার্যকরী ওষুধ রেমডেসিভিরের প্রথম ব্যাচের নমুনা গতকাল শনিবার তারা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে জমা দিয়েছে। এর রেফারেন্স নম্বর: এসকেএফ/ডিটিএল-স্যাম্পেল/২০২০/১৪।

এসকেএফ গতকাল এক বিবৃতিতে এ কথা জানায়। তাতে বলা হয়, এর আগে ৭ এপ্রিল অধিদপ্তর থেকে ওষুধটির মূল্যবিষয়ক অনুমোদন পায় এসকেএফ। এসকেএফের পক্ষ থেকে বলা হয়, ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরির পক্ষ থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর তারা অল্প দিনের মধ্যে রেমডেসিভির ওষুধটি বাজারজাত করবে। ওষুধটির বাণিজ্যিক নাম ‘রেমিভির’।

এদিকে কোভিড-১৯ চিকিৎসার ওষুধ উৎ​পাদনের বিষয়ে স্পষ্ট করার জন্য গতকাল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক মো. রুহুল আমিনের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসকেএফ কর্তৃক ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে পাঠানো নমুনার পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক পাওয়া গেলে ওষুধটির অনুকূলে বাজারজাতকরণের জন্য মার্কেটিং অথরাইজেশন সনদ প্রদান করবে অধিদপ্তর। মার্কেটিং অথরাইজেশন সনদপ্রাপ্তির পরই এসকেএফ ওষুধটি বাজারজাত করতে পারবে।

বেক্সিমকোর প্রেসনোট

রেমডেসিভির বাংলাদেশে উৎ​পাদনের বিষয়ে গতকাল শনিবার গণমাধ্যমে এক প্রেসনোট পাঠিয়েছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। তাতে বলা হয়েছে, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস দেশে প্রথম এই জেনেরিক ওষুধ উৎপাদন করেছে। গতকাল প্রথম আলো ও ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার–এ রেমডেসিভির উৎ​পাদন নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়েছিল, দেশের খ্যাতনামা ওষুধ উৎ​পাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসকেএফ এ দেশে প্রথম ওষুধটি তৈরি করেছে।

বেক্সিমকোর পাঠানো প্রেসনোটে বলা হয়, গণমাধ্যমে ওষুধ তৈরি নিয়ে যে সংবাদ ছাপা হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর ও তথ্যগতভাবে ভুল। বেক্সিমকো সব প্রক্রিয়া শেষ করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জেনেরিক ওষুধের নমুনা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে জমা দিয়েছে ৭ মে।

প্রসংগত, কোভিড-১৯ রোগের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি কার্যকারিতা দেখিয়েছে রেমডেসিভির। ওষুধটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান গিলিয়েড সায়েন্সেসের তৈরি।

আরও পড়ুন:
করোনার চিকিৎসায় দেশে প্রথম রেমডেসিভির উৎপাদন করল এসকেএফ
করোনার যত ওষুধ আসবে, সবই করব: সিমিন হোসেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *